ছবিঃ সংগৃহীত
সাবেক কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি। অভিনেতা অরল্যান্ডো ব্লুমের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ট্রুডোর কাছ থেকে মানসিক সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। পেরির কাছে ট্রুডো এখন শুধু জীবনসঙ্গী নন, বরং মানসিক স্থিতি ও নির্ভরতারও প্রতীক।
‘ফায়ারওয়ার্ক’ ও ‘রোর’-এর মতো জনপ্রিয় গানের শিল্পী কেটি পেরি সম্প্রতি এক আলাপচারিতায় দীর্ঘস্থায়ী ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কথা বলেন। জীবনে অনেক সাফল্য অর্জন করলেও কোথাও যেন অপূর্ণতা অনুভব করতেন তিনি। অসাধারণ ভালোবাসা পাওয়ার প্রত্যাশার কথা নিজের থেরাপিস্টের সঙ্গেও আলোচনা করেছিলেন বলে জানান এই গায়িকা।
ট্রুডোর সঙ্গে সম্পর্ককে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখছেন পেরি। সংগীতজীবনের ব্যস্ততা, আন্তর্জাতিক সফর ও পেশাগত নানা দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে একজন নির্ভরযোগ্য সঙ্গী তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
অন্যদিকে ট্রুডো সাধারণত ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে খুব বেশি কথা বলেন না। তবে পেরির একাধিক সংগীতানুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গেছে। পেরির কনসার্টভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘কেটি পেরি: দ্য লাইফটাইমস ট্যুর, লাইভ ফ্রম প্যারিস’-এর প্রিমিয়ারেও তাঁর উপস্থিতি আলোচনায় আসে।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে কানাডার মন্ট্রিয়লে দুজনকে একসঙ্গে নৈশভোজ করতে দেখা যাওয়ার পর তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরবর্তী মাসগুলোতেও তাঁদের ঘিরে জল্পনা চলতে থাকে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের অক্টোবরে পেরির ৪১তম জন্মদিনের কাছাকাছি সময়ে তাঁরা সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন।
২০২৬ সালের জুনে নিউইয়র্কের ট্রিবেকা উৎসবে পেরির কনসার্ট চলচ্চিত্রের প্রিমিয়ারে প্রথমবারের মতো লালগালিচায় একসঙ্গে হাজির হন তাঁরা।
ট্রুডোর সঙ্গে সম্পর্কের আগে অভিনেতা অরল্যান্ডো ব্লুমের সঙ্গে বাগদান হয়েছিল পেরির। এই সাবেক যুগলের ছয় বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে, যার নাম ডেইজি। বিচ্ছেদের পরও মেয়েকে একসঙ্গে বড় করার দায়িত্ব পালন করছেন তাঁরা।
পেরির সাম্প্রতিক বক্তব্যে ব্যক্তিগত জীবনে ভালোবাসা, মানসিক সমর্থন ও স্থিতিশীলতার গুরুত্বের বিষয়টি উঠে এসেছে। সংগীতজীবনের সাফল্যের পাশাপাশি সম্পর্কের পূর্ণতাকেও এখন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন এই পপ তারকা।